ভূতের মতো - জেরী চন্দ

লিখেছেন   জেরী চন্দ

রবিবারের শহর জিপ খোলা স্কুল ব্যাগের মতোই নিঃস্ব
বহুব্যাবহৃত শরীর মন নিয়ে নিস্তেজ হয়ে ধর্মনগরের-
মানচিত্রে পড়ে আছে।
রাস্তার বাঁপাশে অত্যন্ত নিরাপদ ভাবে দাঁড়িয়ে নালী ছেঁড়া ঝাল দিয়ে ফুচকা খাই
আশ্চর্য্যভাবে কান গরম হয়নি;
বুকের তোলপাড় করা যন্ত্রণাও কমে নি।
আমার গুরুমস্তিষ্ক ভরে এ কোন ঘৃণা;
বিতৃষ্ণা আমাকে গ্রাস করছে আমি জানিনা
কেন ভুলতে পারলাম না আজ নয় ডিসেম্বর
আগে জানতে পারলাম না শীতের ফুচকা অতিশয়
সহিষ্ণু এবং স্তব্ধ।


সব চিন্তাই যখন ভূতের মতো ;
অদেখা জড়ো চোখের পাতা।এই শূন্যতা
বিস্মৃতি,অকারণ বর্ণনায় শ্রান্ত নদীপথ।
২০ দিনের কুকুর ছানাকে আদর করার সময়
দেখলাম আমার হাত দুটো নিদারুণ অন্ধকার।
এ ব্যাথা এড়ানো অসম্ভব হয়ে পড়ে মুহূর্তে-
যেসকল যন্ত্রণা আমি প্রায় শিরিষ কাগজ ঘষে
চামড়া থেকে তুলে দিয়েছি বহুপূর্বে,
স্থবিরতায় আমি আমার খসে পড়ছি।
যন্ত্রণায় বধির হয়ে পড়ছি -
নিজের চিৎকার নিজেই শুনতে পারছি না-এই
অকৃতজ্ঞতার সাক্ষী যেন একমাত্র আমি;
যার বহুতল নির্ণায়ক আমায় প্রশ্ন করছে
আমার লোমকূপে ঢুকে পড়েছে বন্যাপিড়িত ধানের ছড়া-
তার পচা গন্ধ আমায় প্রায় অনুভূতিহীন করে তুলেছে
আলো  জানতে চায়
আলো নিভিয়ে দিলে
কোন ভয়ে আমার হাঁটু ঠক্ ঠকিয়ে কাঁপে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ